মানচিত্রে খুলুন · রেখা © ওপেনস্ট্রিটম্যাপের অবদানকারীরা

কুশিয়ারা হলো রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার (২০২৫) যে নদীগুলোকে মৃত বা শুকিয়ে যাওয়া বলে নাম করেছে, তার একটি: পলিতে ভীষণ ভরাট, আর শুকনো মৌসুমে পুরোপুরি বা আংশিক শুকনো।

নাম
Kushiyara · কুশিয়ারা
অবস্থা
মৃত বা শুকিয়ে যাচ্ছে
দৈর্ঘ্য
২৮৮ কিমি (সরকারি নদী তালিকা, ২০২৫)
যৌথ
ভারত (যৌথ নদী কমিশন)
মানচিত্রে
মানচিত্রে আঁকা
মানচিত্রের নাম
Kushiyara River
নথিতে কী আছে (২)
  • সরকারি তালিকাভুক্ত ১,১৫৬টি নদীর মধ্যে অন্তত ৭৯টি শুকিয়ে গেছে বা শুকিয়ে যাচ্ছে (আরডিআরসির গবেষণা 'Dried Up Rivers of Bangladesh', ২০২৫)।

    সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, ২০ মার্চ ২০২৫

  • এই নদীগুলোর বেশির ভাগই পলিতে ভরাট হয়ে শুকনো মৌসুমে শুকিয়ে যায়, মূলত উজানে পানি সরিয়ে নেওয়ার কারণে; কোনো কোনো নদীর অংশবিশেষ দখলের ফলে হারিয়েও গেছে।

    সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, ২০ মার্চ ২০২৫

সরকারি তালিকায়

সরকারের ১,৪১৫ নদীর তালিকা (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ১৪ এপ্রিল ২০২৫) থেকে। মানচিত্রে নদীটি যে জেলাগুলো পেরিয়েছে, তার ভেতরে নাম ধরে মেলানো হয়েছে।

সারিনামজেলাউপজেলাকোথা থেকে → কোথায়দৈর্ঘ্য
২২৬কুশিয়ারাসিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জঅষ্টগ্রাম, ইটনা, মিঠামইন, মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, ওসমানীনগর, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জগন্নাথপুর, দিরাই, শাল্লা, আজমিরীগঞ্জ, নবীগঞ্জ, বানিয়াচং, লাখাইবরাক → মেঘনা২৮৮ কিমি

পুরো সরকারি তালিকায় দেখুন

একটি যৌথ নদী

যৌথ নদী কমিশন এই নদীকে বাংলাদেশের সীমান্ত পেরোনো ৫৭টির একটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

যৌথ
ভারত (কমিশনের টেবিলে নং ৩৮, কুশিয়ারা)
উৎস
ভারতের মিজোরাম, মনিপুর পাহাড় এলাকা বরাক নদী
প্রবেশ
সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলা
শেষ
আপার মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলা
দৈর্ঘ্য
বাংলাদেশে ২৮১ কিমি, ভারতে ৪৬০ কিমি; মোট ৭৪১ কিমি (আনুমানিক, ছাপা অনুযায়ী)
সীমান্ত বরাবর
৩০ কিমি

৫৭টি যৌথ নদীর টেবিলে দেখুন